দীর্ঘদিন ধরে সেবার নামে হয়রানি, ফাইলের স্তূপ, দালালচক্রের দৌরাত্ম্য এবং চরম অব্যবস্থাপনার অভিযোগে গাজীপুরের কাশিমপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে জেলা প্রশাসন।
সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মোঃ নুরুল করিম ইয়াহিয়া আকস্মিকভাবে অফিসটি পরিদর্শন করে অভিযোগের সত্যতা পান। এ সময় জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সৈয়দ নাজমুস সাকিব, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিন্টু বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক বলেন, এটা ভূমি অফিস না, যেন একটা বাজার। মানুষ জমির কাগজের জন্য এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছে। অথচ অফিসের চেয়ারে বড় কর্তার মতো বসে আছে দালাল। তিনি জানান, গত ২৯ জুলাই প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্তে আসে। খোয়ানগর মৌজার একাধিক সেবাপ্রার্থী মাসের পর মাস নামজারির জন্য ঘুরেও কোনো সুরাহা পাননি।
জেলা প্রশাসনের পরিদর্শনে দেখা যায়, অফিসে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অনুপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত কর্মচারীরা বিভিন্ন প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি। টেবিলে ফাইলের স্তূপ, চেয়ারে ধুলোর আস্তরণ, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা না থাকা এবং সার্বিক অব্যবস্থাপনা দেখে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ দেওয়া হয়।
পরিদর্শনকালে নথিপত্র যাচাই করে অনিয়মের বিভিন্ন চিত্র উঠে আসে। কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে সার্ভার নেই ও কম্পিউটার নষ্ট- এ ধরনের অজুহাত দেওয়া হলেও জেলা প্রশাসক তা গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, মানুষের শেষ সম্বল জমি-জমা নিয়ে কোনো ধরনের অবহেলা বা হয়রানি সহ্য করা হবে না।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশে জনগণ এখন স্মার্ট সেবা চায়। রাজস্ব দিয়ে জমি কিনে মানুষকে কেন হয়রানির শিকার হতে হবে? জমির মালিকানা সংক্রান্ত সেবায় কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না।
তিনি জানান, শুধু কাশিমপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস নয়, পর্যায়ক্রমে জেলার প্রতিটি ভূমি অফিসে একই ধরনের নজরদারি চালানো হবে। যেখানে অনিয়ম পাওয়া যাবে, সেখানেই কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সেবাপ্রার্থীদের উদ্দেশে জেলা প্রশাসক বলেন, জমি নিবন্ধনের পর নামজারির দায়িত্ব এখন সংশ্লিষ্ট ভূমি প্রশাসনের। সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও তহশিল অফিস প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে নিজ উদ্যোগে নামজারির প্রস্তাব পাঠাবে। এ জন্য ক্রেতা বা বিক্রেতাকে দালালের শরণাপন্ন হওয়ার প্রয়োজন নেই। কেউ দালালের মাধ্যমে কাজ করানোর চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্ট আবেদন সরাসরি বাতিল করা হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
এদিকে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির পর জেলা প্রশাসনের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন কাশিমপুর এলাকার সাধারণ মানুষ। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এ পদক্ষেপের মাধ্যমে ভূমি সেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে এবং দালালনির্ভর হয়রানির অবসান ঘটবে।
সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মোঃ নুরুল করিম ইয়াহিয়া আকস্মিকভাবে অফিসটি পরিদর্শন করে অভিযোগের সত্যতা পান। এ সময় জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সৈয়দ নাজমুস সাকিব, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিন্টু বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক বলেন, এটা ভূমি অফিস না, যেন একটা বাজার। মানুষ জমির কাগজের জন্য এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছে। অথচ অফিসের চেয়ারে বড় কর্তার মতো বসে আছে দালাল। তিনি জানান, গত ২৯ জুলাই প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্তে আসে। খোয়ানগর মৌজার একাধিক সেবাপ্রার্থী মাসের পর মাস নামজারির জন্য ঘুরেও কোনো সুরাহা পাননি।
জেলা প্রশাসনের পরিদর্শনে দেখা যায়, অফিসে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অনুপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত কর্মচারীরা বিভিন্ন প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি। টেবিলে ফাইলের স্তূপ, চেয়ারে ধুলোর আস্তরণ, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা না থাকা এবং সার্বিক অব্যবস্থাপনা দেখে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ দেওয়া হয়।
পরিদর্শনকালে নথিপত্র যাচাই করে অনিয়মের বিভিন্ন চিত্র উঠে আসে। কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে সার্ভার নেই ও কম্পিউটার নষ্ট- এ ধরনের অজুহাত দেওয়া হলেও জেলা প্রশাসক তা গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, মানুষের শেষ সম্বল জমি-জমা নিয়ে কোনো ধরনের অবহেলা বা হয়রানি সহ্য করা হবে না।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশে জনগণ এখন স্মার্ট সেবা চায়। রাজস্ব দিয়ে জমি কিনে মানুষকে কেন হয়রানির শিকার হতে হবে? জমির মালিকানা সংক্রান্ত সেবায় কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না।
তিনি জানান, শুধু কাশিমপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস নয়, পর্যায়ক্রমে জেলার প্রতিটি ভূমি অফিসে একই ধরনের নজরদারি চালানো হবে। যেখানে অনিয়ম পাওয়া যাবে, সেখানেই কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সেবাপ্রার্থীদের উদ্দেশে জেলা প্রশাসক বলেন, জমি নিবন্ধনের পর নামজারির দায়িত্ব এখন সংশ্লিষ্ট ভূমি প্রশাসনের। সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও তহশিল অফিস প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে নিজ উদ্যোগে নামজারির প্রস্তাব পাঠাবে। এ জন্য ক্রেতা বা বিক্রেতাকে দালালের শরণাপন্ন হওয়ার প্রয়োজন নেই। কেউ দালালের মাধ্যমে কাজ করানোর চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্ট আবেদন সরাসরি বাতিল করা হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
এদিকে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির পর জেলা প্রশাসনের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন কাশিমপুর এলাকার সাধারণ মানুষ। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এ পদক্ষেপের মাধ্যমে ভূমি সেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে এবং দালালনির্ভর হয়রানির অবসান ঘটবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক